| | | |
সংবাদ শিরোনামঃ
মুুক্তিযোদ্ধার জানাযা ও দাফনে বাধা প্রদানের প্রতিবাদে ভেড়ামারায় মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ তাড়াশে হাম-রুবেলার প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে জনগণকে সম্পৃক্ত করে কমিউনিটি সভা অনুষ্ঠিত মিরপুরে মাটি পরীক্ষায় ডিজিটাল সেন্সর ব্যবহারে প্রশিক্ষণ ও ডিভাইস বিতরণ ভেড়ামারায় বিয়ে করতে এসে জরিমানা গুনতে হলো বর কে ভেড়ামারায় আলহেরা মডেল একাডেমী স্কুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও মা সমাবেশ ভেড়ামারার পদ্মায় পানির তোড়ে ভেসে গেলো কৃষক ভেড়ামারায় গনধর্ষন/ ৪ দিন মৃত্যুর সাথে লড়ে হেরে গেলো তরুনী ভেড়ামারা থানা পুলিশের অভিযানে ৪০ পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ ২জন আসামি গ্রেফতার। স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর সঙ্গে ঢাকাস্থ ভেড়ামারা সমিতির নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে বাবা-মা, দাদু আর একমাত্র ভাই সবাইকে হারিয়ে মহিমার চোখে কেবলই অন্ধকার/ আগুনে ছাই হয়ে গেল মহিমার সব স্বপ্ন
জামায়াতে ইসলামীর ঐতিহাসিক সমাবেশ/ কেয়ারটেকার সরকার ছাড়া দেশে কোনো নির্বাচন হবে না- অধ্যাপক মুজিবুর রহমান

জামায়াতে ইসলামীর ঐতিহাসিক সমাবেশ/ কেয়ারটেকার সরকার ছাড়া দেশে কোনো নির্বাচন হবে না- অধ্যাপক মুজিবুর রহমান

স্বাধীনতা ডেক্স:
রাজধানীর আরামবাগে ঐতিহাসিক মহাসমাবেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেছেন, ২০০৬ সালে ২৮ অক্টোবর লগি বৈঠা দিয়ে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের উপর হায়েনার মতো ঝাঁপিয়ে পড়ে। তারা সাপের মতো পিটিয়ে মানুষ হত্যা করে। আমরা এর প্রতিশোধ নিবো। তবে হত্যার প্রতিশোধ হত্যা দিয়ে নয়। যারা যে কারণে শহীদ হয়েছেন, আল্লাহর জমিনে আল্লাহর আইন ও সৎ লোকের শাসন কায়েমের মাধ্যমে এর প্রতিশোধ নিবো। তাদের প্রতি ফোঁটা রক্ত বৃথা যেতে দিবো না। তিনি বলেন, কেয়ারটেকার সরকার ছাড়া বাংলাদেশে কোন নির্বাচন হতে পারবে না। মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন চালিয়ে যাবো।

গতকাল শনিবার দুপুরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে আয়োজিত মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর নূরুল ইসলাম বুলবুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মহাসমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা: সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের ও মাওলানা আ.ন.ম শামসুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মা’ছুম। বক্তব্যে রাখেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য এ.এইচ.এম হামিদুর রহমান আযাদ, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাজিবুর রহমান পলাশ, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের ভারপ্রাপ্ত আমীর আব্দুর রহমান মূসা। সভা পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এবং কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. রেজাউল করিম। আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল, এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জোবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন, মোবারক হোসাইন, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, ড. খলিলুর রহমান মাদানী, নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর আমীর আবদুল জাব্বার, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান, শিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল মঞ্জুরুল ইসলাম, খুলনা মহানগরী আমীর মাহফুজুর রহমান, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর এডভোকেট হেলাল উদ্দিন, সহকারী সেক্রেটারি দেলাওয়ার হোসেন, ড. আবদুল মান্নান, উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান, নাজিম উদ্দীন মোল্লা, ডা. ফখরুদ্দিন মানিক, রাজশাহী মহানগরী সেক্রেটারি ইমাজ উদ্দিন মন্ডল, চট্টগ্রাম মহানগরী সহকারী সেক্রেটারি ফয়সাল মুহাম্মদ ইউনুস, মরহুম আল্লামা সাঈদীর সন্তান শামীম সাঈদী ও মাসুদ সাঈদী প্রমুখ।

সরকারের পদত্যাগ, নির্দলীয়-নিরপেক্ষ কেয়ারটেকার সরকারের অধীনে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের ব্যবস্থা, আমীরে জামায়াত ডা: শফিকুর রহমানসহ বিরোধী রাজনৈতিক দলের গ্রেফতারকৃত নেতাকর্মী এবং ওলামা-মাশায়েখের মুক্তি, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, দ্রব্যমূল্য মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে নিয়ে আসার দাবিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে গত সোমবার এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

গতকাল মহাসমাবেশ বেলা ২টা শুরু করার কথা থাকলেও সকাল ৮টা থেকেই লাখ লাখ মানুষ আরামবাগ এলাকায় আসতে শুরু করে। বেলা বাড়ার সাথে সাথে ফকিরাপুল থেকে কালভার্ট রোড, আরামবাগ থেকে কমলাপুর পর্যন্ত কানায় কানায় ভরে যায়। সকাল ১১টায় থেকে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য, দেশাত্মবোধক ও ইসলামী, দলীয় সংগীত চলতে থাকে। শ্লোগানে শ্লোগানে মুখর ছিল পুরো এলাকা। খরতাপের মধ্যে নেতাকর্মীরা ও সাধারণ জনতা মহাসমাবেশ শেষ না হওয়া পর্যন্ত সুশৃংখলভাবে অবস্থান করেন।

অধ্যাপক মুজিবুর রহমান তার বক্তব্যে আরো বলেন, সৃষ্টি যার আইন চলবে তার। সকল মতবাদ বাদ দিয়ে আল্লাহর আইন চালু করবো, ইনশাআল্লাহ। আমাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে ইসলামী রাষ্ট্র চালু করা। রাসূল (সা:) মদীনায় যেভাবে ইসলামী রাষ্ট্র কায়েম করেছিলেন, তার আদলে এই দেশে ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা হবে। কুরআনের নিদের্শনার আলোকে ইসলামী কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা হবে। আমরা মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে চাই। জামায়াত আমীর বলেন, কেয়ারটেকার সরকার ছাড়া দেশে কোনো নির্বাচন হবে না। কেয়ারটেকার ব্যবস্থা ছাড়া দেশে নির্বাচন হতে দিব না।

ফিলিস্তিনে গাজার মুসলমানদের উপর অভিশপ্ত ইহুদীদের নির্যাতনের নিন্দা জানিয়ে জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমীর বলেন, ইসরাইল ফিলিস্তিনের মুসলমানদের উপরে নির্যাতন করছে। এমন একদিন আসবে ইহুদীরা পালানোর পথ পাবে না। ইহুদীরা পরাজিত হবে। তিনি অবিলম্বে আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান, সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য এডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ, ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর সেলিম উদ্দিনসহ কারান্তরীণ অসংখ্য নেতা-কর্মী ও আলেমদের মুক্তি দাবি করেন।

ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেন, আমরা বাংলাদেশে একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চাই। যেখানে মানবাধিকার নিশ্চিত করা হবে, আইনের শাসন থাকবে এবং দলমত নির্বিশেষে সব মানুষ তাদের ধর্ম পালন করতে পারবে। মত প্রকাশ করতে পারবে। আল্লাহর ভয় ছাড়া আর কোনো ভয় থাকবে না। জামায়াতে ইসলামী একটি গণতান্ত্রিক দল। আমরা মানুষের ভোটের অধিকার ও মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় আন্দোলন সংগ্রাম করে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সাথে যুগপৎ আন্দোলন করেছি। কেয়ারটেকার সরকার প্রতিষ্ঠায় আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির সাথে আন্দোলন করেছি। এদেশের প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে জামায়াত ছিল, আছে এবং থাকবে। তিনি একটি ছবি প্রদর্শন করে বলেন, আওয়ামী লীগের সাথে আন্দোলন করলেই আমরা স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি আর আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে গেলে তখন স্বাধীনতা বিরোধী।

তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী একটি সৎ রাজনৈতিক দল। এজন্য সকলে ভয় পায়। তিনি বলেন, জামায়াত একটি নির্বাচনমুখী দল, অতীতে আমরা ২০১৪ ও ২০১৮ এর প্রহসনের নির্বাচন বর্জন করা বাদে সকল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছি। প্রহসনের ২টি সংসদ ছাড়া সব সংসদে আমাদের প্রতিনিধি ছিলো। তিনি বলেন, দলীয় সরকারের অধীনে কোন নির্বাচন হতে পারে না। কেয়ারটেকার সরকার ছাড়া জামায়াত নির্বাচনে যাবে না। আমাদের আন্দোলন কেয়ারটেকার সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য। স্বৈরাচার, ফ্যাসিবাদের পতন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে। তিনি ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে অবৈধ সরকারের বিদায় করে নিরপেক্ষ সরকার প্রতিষ্ঠা করতে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। বর্তনান প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে দ্বিতীয় নূরুল হুদা না হওয়ার আহ্বান জানান।

মাওলানা শামসুল ইসলাম বলেন, ২০০৬ সালে ২৮ অক্টোবর আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হাতে আমাদের ভাইদের হত্যা করেছে। তাদের রক্তের বিনিময়ে এ দেশে ইসলামী সমাজ প্রতিষ্ঠা করা হবে। তিনি বলেন, আজ বাংলাদেশের জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে, ভোটাধিকার না আদায় হওয়া পর্যন্ত এ ময়দান বাংলাদেশের জনগণ ছাড়বে না। তিনি সমবত জনতাকে উদ্দেশ্য বলেন, কেয়ারটেকার সরকারের হাতে ক্ষমতা দিয়ে বিদায় না হওয়া পর্যন্ত ও নির্বাচনের ব্যবস্থা না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন আমরা অব্যাহত রাখবো।

মাওলানা এটিএম মাছুম বলেন, আজ বাংলাদেশের মানুষ ভোট দিতে পারে না। সারাদেশ থেকে তাদেরই প্রতিনিধিরা মহাসমাবেশে প্রতিনিধিরা সমবেত হয়েছে। জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তিনি বলেন, মানুষের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাজপথ ছাড়বো না। কেয়ারটেকার সরকার প্রতিষ্ঠা ও নেতা-কর্মী মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত আমরা অন্দোলন চালিয়ে যাব।

হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ২০০৬ সালে আওয়ামী লীগ লগি-বৈঠা দিয়ে জামায়াতকে শেষ করে দিতে চেয়েছিল কিন্তু পারে নাই। আমরা অনেক জুলুমের শিকার হয়েছি কিন্তু নতি স্বীকার করিনি। সরকার ও সরকারের বাহিনী যতই মিথ্যা প্রচার করুক না কেন। জামায়াত কোনো নিষিদ্ধ সংগঠন নয়। এদেশে মানুষ যে আমাদের সাথে আছে আজকের মহাসমাবেশের মাধ্যমে তা প্রমাণিত হয়েছে। জামায়াতকে আইন করে নিষিদ্ধ করা যাবে না। তিনি বলেন, কেয়ারটেকার সরকার ছাড়া দেশে কোন নির্বাচন হবে না।

মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, ২০০৬ সালে ২৮ অক্টোবর একটি কলংকিত দিন। এ দিন ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে জেগে উঠার দিন। আওয়ামী সন্ত্রাসীরা লগি বৈঠা দিয়ে সারাদেশে আমাদের ১৪ জন নেতা কর্মীকে শহীদ করে। আর এই হত্যার মধ্যদিয়ে গণতন্ত্র হত্যার শুরু করেছে আওয়ামী লীগ। গত ১৫ বছরে স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ আমাদের ১১ জন শীর্ষনেতাসহ আমাদের ৩০০ জন নেতা-কর্মীকে হত্যা করেছে। বর্তমান সরকারের সময়ে অসংখ্য আলেমকে হত্যা করে। সাড়ে ১৩ শত আলেমকে গ্রেফতার করেছে। জামায়াতের সোয়া লাখ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা আছে। কয়েক হাজার নেতাকর্মী এখন পঙ্গুত্ব বরণ করেছে। বর্তমান জালিম সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাজপথে থাকবো।

আবদুর রহমান মূসা বলেন, জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে কোন ষড়যন্ত্র সফল হবে না। গ্রেফতারকৃত নেতৃবৃন্দকে অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে।

শিবির সভাপতি রাজিবুর রহমান পলাশ বলেন, আওয়ামী লীগ বাংলাদেশকে বন্দী করে রেখেছে। দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি, মানবতা বন্দী করে রেখেছে। তারা খুন, গুম হত্যার রাজনীতি করছে।

সভাপতির বক্তব্যে নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, মহাসমাবেশ সফল হওয়ার জন্য মহান আল্লাহ শুকরিয়া আদায় করছি। তিনি মহাসমাবেশ সফল করায় সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, কেয়ারটেকার দাবি আদায় না করে আমরা ঘরে ফিরে যাব না। জনগণের ভোটের ও ভাতের অধিকার আমরা প্রতিষ্ঠা করবোই ইনশাআল্লাহ।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন

Advertisement

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2024